বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৩

অযৌক্তিক কোটাব্যবস্থায় বিপন্ন মেধাবীরা

স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের সব বেসামরিক সরকারি চাকরির নিয়োগস্তরে বিচার-বিবেচনাহীনভাবে কোটাব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারের পর সরকার এসেছে আর গেছে। কিন্তু কোনো না কোনো পরিবর্তিত রূপে তা রয়েই গেছে। বরং দিনে দিনে বৃদ্ধি পেয়েছে এ কোটাগুলোর অনুপাত। বর্তমান সরকারের আমলে আরও একটি নির্মম নিয়ম চালু করা হয়েছে যে এ ধরনের প্রাধিকার কোটায় কোনো প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদগুলো খালি থেকে যাবে। আর তা থাকছেও। মেধাবী প্রার্থী প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধাতালিকায় ওপরের দিকে স্থান পেয়েও চাকরি পাবে না। অধিক হারে চাকরি পাবে কম মেধাবীরা, প্রাধিকার কোটার বদৌলতে। আর তাদেরও খুঁজে না পাওয়া গেলে পদ খালি রাখা হবে। প্রশাসনব্যবস্থায় এটাকে একটা নির্দয় প্রহসন হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।তবে ৩৪তম বিসিএসে কোটাব্যবস্থার প্রয়োগে আরেকটি নতুন মাত্রা দেওয়ার প্রয়াস নেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি হচ্ছে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় অতি নিম্নে অবস্থানকারী প্রাধিকার কোটাভুক্ত প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য মনোনীত করা হয়। পক্ষান্তরে মেধাতালিকার অনেক ওপরে অবস্থানকারী প্রাধিকার কোটা-বহির্ভূত প্রার্থীরাও লিখিত পরীক্ষার জন্য মনোনীত হয়নি। জানা গেল, সরকারি কর্মকমিশনের যুক্তি, প্রাধিকার কোটা পূরণ নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা। তবে চতুর্মুখী ব্যাপক সমালোচনা ও পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে এ ফলাফল আপাতত বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বোধোদয় দেরিতে হলেও না হওয়ার চেয়ে ভালো। ধন্যবাদ, সরকারি কর্মকমিশনকে। প্রকৃতপক্ষে নিয়োগ পর্যায়েই কোটা প্রয়োগ হওয়া স্বাভাবিক। আর বিসিএস পরীক্ষায় সে পর্যায়টি আসে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সম্মিলিত মেধাতালিকা তৈরির পর। সুতরাং আকস্মিকভাবে প্রিলিমিনারি পর্যায় থেকে এটাকে প্রয়োগ করা হলে বঞ্চিত ব্যক্তিরা সংক্ষুব্ধ হবেই। তবে এই ক্ষোভের নামে বিশৃঙ্খলা কিংবা জনদুর্ভোগ কাম্য নয়।এখন কোটাব্যবস্থার বিন্যাসটা একটু আলোচনা করা যাক। মুক্তিযোদ্ধাদের পোষ্য, জেলা, মহিলা ও উপজাতি কোটার অনুপাত যথাক্রমে ৩০, ১০, ১০ ও ৫। অর্থাৎ একুনে ৫৫। তাহলে মেধা কোটায় রইল শতকরা ৪৫ শতাংশ। চার দশকের অধিককাল এভাবে সরকারি চাকরিতে কোটার জোরে অধিক সংখ্যায় কম মেধাবীদের চাকরি পাওয়া নিশ্চিত করা হয়েছে। জনপ্রশাসন, পররাষ্ট্র, পুলিশ আর কলেজশিক্ষকসহ সব ক্ষেত্রেই এর প্রয়োগ। প্রয়োগ করা হয়েছে নিম্ন আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও। ফলে এসব পদে মেধাশূন্যতার অভিযোগ আসা অমূলক বলা যাবে না।এবার দেখা যাক এ কোটাব্যবস্থার যৌক্তিকতা। স্বীকার করতেই হবে, এর একটি ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা রয়েছে। যেমন—ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষে উচ্চতর পদে প্রথমে ভারতীয়দের জন্য, পরে মুসলমানদের জন্য আর পাকিস্তান সময়কালে কিছুটা পশ্চাৎপদ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য সংরক্ষিত কোটা ছিল। তবে তা সীমিত ছিল উচ্চতর পদেই আর সীমিত আকারেই। তাঁরাও চাকরি পাওয়ার প্রতিটি ধাপ অতিক্রম করার পরেই তা পেতেন। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকারসংক্রান্ত অধ্যায়ের ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য সবার সমান সুযোগ লাভের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। তবে একই অনুচ্ছেদের তিন উপ-অনুচ্ছেদে নাগরিকদের কোনো অনগ্রসর অংশের জন্য বিশেষ বিধান রাখার কথাও রয়েছে। ওপরে যে প্রাধিকার কোটাগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তার সবই কি এ অনগ্রসর নাগরিকদের পর্যায়ে পড়ে? তাহলে কোন যুক্তিতে অধিকাংশ প্রার্থীকে ‘সকলের সমান সুযোগ লাভের’ অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে? আর সুবিধাভোগী কারা, তাও কিন্তু দেখার বিষয়। এ বিষয়ে অনেক আলোচনা, সেমিনার, গোলটেবিল আর লেখালেখি হয়েছে। এগুলোর পক্ষে জোরালো কেন, দুর্বল কোনো যুক্তি নিয়ে কেউ অবস্থান নিতে পারে না। নেওয়া হয় আবেগের আশ্রয়। মনে হচ্ছে যুক্তি-তর্ক সবই অরণ্যে রোদন।এবার প্রাধিকার কোটার সংখ্যাটি বিশ্লেষণ করার থাকে। মহিলা ও উপজাতিরা সমাজে এখনো অনগ্রসর। আরও কিছুদিন যেকোনো অনুপাতে তাদের জন্য এ ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। জেলা কোটাটির বিভাজন একটি জটিল ব্যবস্থা। আর্থসামাজিক বিবেচনায় অনুন্নত জেলাগুলোকে গোটা তিনেক গুচ্ছে বিভক্ত করে শুধু তাদের জন্যই প্রাধিকার থাকতে পারে। উন্নত জেলার জন্য তা থাকার কোনো যুক্তি নেই। সবশেষে আসে মুক্তিযোদ্ধাদের পোষ্যের কোটাটি। প্রথমে এটা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ছিল। এখন তা তাঁদের পোষ্যদের জন্য রাখা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি জাতি চিরকৃতজ্ঞ। তাঁদের অবদান বৈষয়িকভাবে কোনো দিন শোধ করা যাবে না। তবে তাঁদের সবাইকে সমাজের অনগ্রসর অংশ বলে চিহ্নিত করা যায়? আর এ ৩০ শতাংশ প্রাধিকার কোটার সুফলভোগীর সংখ্যাও খুবই কম। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, যাদের নাম গেজেটভুক্ত করেছে, দিয়েছে প্রত্যয়নপত্র, তাঁদের পোষ্যরাই এর সুফলভোগী। এখন পর্যন্ত এর সংখ্যা দুই লাখের কিছু ওপরে। আবেদন বিবেচনাধীন আছে কয়েক হাজার। সব মিলিয়ে তিন লাখও হয় না। তাদের পোষ্য এর পাঁচ গুণই হতে পারে। তাহলে এ প্রাধিকার কোটাটি যৌক্তিক বলে ধরে নিলেও বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনসংখ্যার অনুপাতে শুধু তাঁদের জন্য সব বেসামরিক চাকরির নিয়োগস্তরে ৩০ শতাংশ সংরক্ষিত রাখাকে কোনো বিবেচনাতেই যৌক্তিক বলা যাবে না। আর এ প্রাধিকার কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদ খালি রাখাকেও নির্মমই বলতে হবে। আর প্রকৃতপক্ষে উপযুক্ত প্রার্থীর অভাবে এ প্রাধিকার কোটা বারবার খালিই থাকবে? এমনিতেই প্রাধিকার দেওয়া হলো অর্ধেকের বেশি পদে। আবার নিয়োগের নিয়মনীতি থেকে বিচ্যুতির ফাঁকফোকরও খোঁজা হচ্ছে।পাশাপাশি আমরা দেখি, সামরিক বাহিনীতে সিপাহি পদে নিয়োগে জেলা কোটা অনুসরণ করা হয়। আর অফিসার নিয়োগের জন্য ক্যাডেট বাছাইয়ে শুধুই মেধা। আর এটাই যথার্থ। সুতরাং তারা কর্মক্ষেত্রে অধিকতর দক্ষতার ছাপ রাখবেই। গোটা জাতি চায় তারা তা রাখুক। পাশাপাশি বেসামরিক চাকরির সব প্রথম শ্রেণীর পদ ও বিচার বিভাগীয় কর্মে একই ভিত্তিতে নিয়োগ হওয়া যৌক্তিক। তবে উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতা ও সংবিধানের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কিছু প্রাধিকার কোটা রাখা যেতে পারে। কিন্তু তা অনধিক ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা সংগত হবে। অবশিষ্ট ৮০ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে প্রতিযোগিতার জন্য ছেড়ে দিলে এক দশকের মধ্যে দেশের বেসামরিক চাকরিগুলোতে ইতিবাচক চাপ পড়তে থাকবে।আমরা কথায় কথায় ভারতের নজির দেখাই। ভারত ব্রিটিশ থেকে প্রাপ্ত তার চাকরি কাঠামোগুলোকে বিবেচনাহীনভাবে বিপন্ন করেনি। অনুন্নত সমপ্রদায়ের জীবনযাত্রার মানকে তারা উন্নত করে চলছে। পাশাপাশি অতি সীমিত সংখ্যায় সর্বভারতীয় ও রাজ্য পর্যায়ে প্রথম শ্রেণীর চাকরির ভিত্তি পদে নিয়োগে তাদের টেনে আনার কিছু ব্যবস্থাও করেছে। কিন্তু সেসব পদ এ ধরনের সর্বগ্রাসী কোটার বিপরীতে ছেড়ে দেয়নি। ১৯৭৯ সালে অনুন্নত সম্প্রদায়গুলোকে সরকারি চাকরিপ্রাপ্তি ও সরকার পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ইত্যাদি বিষয়ে বিবেচনার জন্য একজন সাংসদ বিপি মণ্ডলের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়। উল্লেখ্য, ভারতের ৫৪ শতাংশ মানুষ অনগ্রসর শ্রেণীভুক্ত। মণ্ডল কমিশন ১৯৮০ সালে প্রদত্ত তাদের প্রতিবেদনে ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ চাকরি তাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা আর একই অনুপাতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন সংরক্ষিত রাখার প্রস্তাব করে। ভিপি সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে এ সুপারিশ বাস্তবায়নের একটি প্রচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। দেশের সামগ্রিক দিক বিবেচনায় সচেতন ভারতবাসী, এ রিপোর্টটির বিপরীতেই অবস্থান নিয়েছিল। আর সে অবস্থান ছিল ভারতকে আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে মেধাকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য। এর সুফল আজ তারা ভোগ করছে।
অপ্রতুল বেতনাদি ও যুগবাহিত মর্যাদার হ্রাস বিবেচনায় এমনিতেই মেধাবীরা সরকারি চাকরির প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলছে। তাঁদের প্রধানত আকর্ষণ করছে পাশ্চাত্যের সুযোগ-সুবিধা। এর পরেই রয়েছে বহুজাতিক কোম্পানিসহ বেসরকারি খাত। তাও পুরোনো ধারাবাহিকতায় কিছু মেধাবী তরুণ-তরুণী চলে আসে বিসিএস পরীক্ষা দিতে। কিন্তু এখানেও তাদের জন্য তৈরি হয়ে আছে নানা প্রতিবন্ধকতা। শুধু নিয়োগ পর্যায়ে নয়, পদোন্নতি পর্যায়ও তুলনামূলক কম মেধাবীরা (সরকারি কর্মকমিশনের সম্মিলিত মেধাতালিকা বিবেচনায়) রাজনৈতিক আনুকূল্যে টপকে যায় অধিক মেধাবীদের। এমন চিত্র দেখা গেছে সামপ্রতিক কালে অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতিকালে। সম্মিলিত মেধাতালিকার শীর্ষে অবস্থানকারীদের চেয়ে নিচের দিকে অবস্থানকারীরা প্রাধান্য পেয়েছেন সে পদোন্নতি তালিকায়।
নেতাদের অনেকেই সময়ে সময়ে গণমাধ্যমে সংবিধানের চেতনা সম্পর্কে বলে থাকেন। কিছু ব্যতিক্রম বাদে চাকরিতে সমান সুযোগ লাভের অধিকার শুধু চেতনা নয়, সরাসরি আমাদের মৌলিক অধিকারসমূহের একটি। জেনেশুনে এটাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে দীর্ঘকাল। শুধু বর্তমান সরকার নয়, এর আগের সরকারগুলোও বিষয়টিতে হাত দেয়নি। বর্তমান সরকার দিনবদলের সনদে অঙ্গীকার করেছিল দেশবাসীকে একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম একটি প্রশাসন উপহার দেওয়ার। সেই প্রশাসন হবে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, দক্ষ, গতিশীল, আধুনিক ও যুগোপযোগী ধ্যান-ধারণার সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু সেই অঙ্গীকারের তেমন কোনো প্রতিফলন জনপ্রশাসনে দেখা যায়নি, বরং বিপরীতটাই দৃশ্যমান হচ্ছে। নিয়োগ পর্যায়ে মেধাবীদের দূরে সরিয়ে রাখতে প্রাধিকার কোটার নিয়মনীতিকে আরও কঠোর ও সম্প্রসারণ করে কম মেধাবীদের টেনে আনতে সচেষ্ট প্রয়াসই লক্ষণীয় হচ্ছে। তাতে তাদের দিয়ে আর যা-ই হোক, একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রশাসন গড়া যাবে না।

শনিবার, ২৯ জুন, ২০১৩

অনলাইনে আয় (পর্ব-০২) টাইপের কাজ

অনলাইনে আয় (পর্ব-০২) টাইপের কাজ

আজ আপনাদের আর একটু সহজ পদ্ধতিতে আয়ের কথা বলব। বলা যায় এটা থেকে আপনি আপনার নেট বিল বা মোবাইল খরচ চালাতে পারবেন। আরেএকটু বেশি কষ্ট করলে ঘর ভাড়া আর হাত খরচও চালাতে পারবেন। ঘুরে ফিরে সেই টাইপের কাজের কথা।

পেমেন্ট পাবেন তার ১০০% নিশ্চয়তা আমার। প্রতিদিনই পেমেন্ট তুলতে পারবেন। পেমেন্ট নিতে পারবেন আপনার মোবাইল (লোড), বিকাশ (পারসোনাল) নম্বরে।

আগে রেজিষ্টেশন করতে হবে। তারপর আইডি এবং পাসওয়াড দিয়ে ঢুকে কাজ শুরু করে দিবেন। ১০০০ সঠিক এন্টি দিলেই আপনি টাকা তুলতে পারবেন। প্রতি ১০০০ ওয়াড টাইপের জন্য পাবেন ৭০ টাকা করে। কাজ করতে হবে সন্ধ্যা ৮ টা থেকে পরদিন সকাল সন্ধ্যা ৭টা অবদি। প্রতি ঘন্টায় অনায়শে ২০০-৭০০ এন্টি দিতে পারবেন যদি আপনার টাইপিং স্পিড ভাল এবং নেট স্পিড সহ সার্ভার ফাষ্ট থাকে।

রেজিষ্টেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

আরো ফ্রি ক্যাপচার সাইডে কাজ করতে চাইলে আমার ব্লগ থেকে ঘুরে আসতে পারেন।
এখানে ক্লিক করুন।

আপনার ভাল মন্দ মন্তব্য আশা করছি।

বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৩

প্রথম আলো

ম্যাক্রোমিডিয়া ফ্ল্যাশ এমএক্স অ্যানিমেশন বানানোর একটি কার্যকর সফটওয়্যার। স্থির লেখাকে চলমান করে তোলা যায় এই ফ্ল্যাশে। লেখার অ্যানিমেশন করার জন্য প্রথমে ফ্ল্যাশ ফাইল খুলুন। এরপর ডকুমেন্ট প্রপার্টিজ থেকে উইন্ডো/স্টেজের আকার ঠিক করে দিন। আমরা Prothom Alo লেখার অ্যানিমেশন তৈরি করব। এ কাজের জন্য টুলস থেকে Text Tool থেকে স্টেজে ক্লিক করুন এবং লিখুন Prothom Alo. এবার টেক্সট মেনুতে ক্লিক করে ফন্টের নাম, ফন্টের আকার, ফন্টের স্টাইল ইত্যাদি নির্ধারণ করে দিন। টাইমলাইনে ১ নম্বর ফ্রেমে সবগুলো লেখা নির্ধারিত হয়েছে। এরপর ফ্রেমগুলো ১, ৫, ১০, ১৫, ২০ হিসেবে সাজানো আছে। ফ্রেম ১০-এ ক্লিক করুন এবং F6 চাপুন। দেখুন ফ্রেম ১০ পর্যন্ত লেখাটির স্থান নির্ধারিত হয়েছে। এবার ফ্রেম ১-এ ডান ক্লিক করে Create Motion Tween-এ ক্লিক করুন এবং একইভাবে ফ্রেম ১০-এ মাউস দিয়ে টুইন করুন। ফ্রেম ১০ নির্বাচন করে Prothom Alo লেখাটি ধরে টেনে ডান দিকে নিচের কোণায় নিয়ে ছেড়ে দিন। এবার Control মেনুতে ক্লিক করে Play-এ ক্লিক করলে বাম থেকে ডানে নিচের কোণার দিকে লেখাটি দ্রুত অ্যানিমেশন শুরু থাকবে।পূর্বনির্ধারিত (ডিফল্ট) ফ্রেম রেট ১২ মুছে ৫ করে দিন, দেখুন ধীরে ধীরে অ্যানিমেশন হচ্ছে। ফ্রেম রেট অ্যানিমেশনের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এরপর ফাইল মেনু থেকে পাবলিশ লেখায় ক্লিক করে লেখাটিকে পাবলিশ করতে হবে। অ্যানিমেশন দেখার জন্য কিবোর্ড থেকে কন্ট্রোল ও এন্টার চাপুন। ফাইল সেভ করুন। সেভ করা ফাইল রেখেছেন সেখানে ফ্ল্যাশের মূল ফাইলের সঙ্গে আরেকটি ফাইল দেখা যাবে। এটা ফ্ল্যাশ মুভি ফাইল নামে পরিচিত। এতে দুই ক্লিক করলে অ্যানিমেশনটি দেখা যাবে।
কে এম জাকির হোসেন

মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৩

লেখালেখি করে অনলাইনে টাকা আয়

 

“কিভাবে লেখালেখি করে অনলাইনে টাকা আয় করবেন নিয়ে” ধারাবাহিকভাবে লিখছিলাম। আগের পর্ব না পড়লে পড়ে নিন বুঝতে সুবিধা হবে।

আপনি যদি আগের পর্ব পড়ে থাকেন তাহলে আমার এখন ইংরেজিতে লিখে অনলাইন এ টাকা আয়ের বিভিন্ন উপায়, উৎস এবং টিপস শিখব। তার আগের একটা ব্যাপার নিয়ে একটু বলি।

ইন্টারনেট তো এখন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। দেশে প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট ইউজার বাড়ছে। কিন্তু আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি, হলেও যেটুকু হয়েছে তা চোখে পরার মত না। মনে হয় ইন্টারনেট/ অনলাইন ব্যাপারটিকে আমরা এখনো সহজভাবে নিতে পারিনি। শুধুমাত্র এই কারনেই আমাদের অনলাইন কার্যক্রম সীমাবদ্ধ, অনেকটা অকার্যকর।

আপনারা শুনে থাকবেন একটা বহুল ব্যবহৃত কথা হল “ইন্টারনেট এ তো কত কিছুই থাকে সব কি ঠিক?” পত্র পত্রিকায়ও তো কত কিছুই থাকে তার সব কি ঠিক? ভুল, অতিরঞ্জিত খবর থাকে, অনেক ভুয়া বিজ্ঞাপন থাকে। কিন্তু আমরা তো তার মধ্য থেকে পুরোপুরি না হলেও বেশিরভাগ সময় সঠিকটিই বাছাই করতে পারি। যে পত্রিকা ভালো খবর দেয় সেটিই জনপ্রিয়, যে বিজ্ঞাপন বাস্তবভিত্তিক তাতেই লোকজন অ্যাপ্লাই করে। এখন আপনি যদি কাউকে বলেন “আরে পত্রিকাই তো কত কিছুই থাকে সব কি ঠিক?” তার উত্তরে সে বলবে, “কি হইছে, এইটা কি বলার মত কিছু হইল?” এটাই মূলকথা। ইন্টারনেট এর বেপারেও এমন মানসিকতা থাকতে হবে। টেলিভিশান যেমন খুবই সাধারন একটা জিনিস, কোনটা ভালো কোনটা মন্দ আপনি বুঝেন ইন্টারনেট কেউ সেইভাবে নিতে হবে।

সবারই ব্লগ লিখতে হবে এমন কোন কথা নাই, আর লিখলেও কিছু হয় নাই। It’s just not a big deal. তবে ইন্টারনেট এর বিজ্ঞাপন, চাকরি বাকরি সবই যেহেতু পশ্চিমা ঘেঁষা, ওদের দেশের টাকার মান ভালো কাজেই এখানে আপনি বিদেশে না গিয়েও মোটামুটি ভালো টাকা আয় করতে পারেন। ইন্টারনেট এর সম্ভাবনা অসীম। আপনি একটা ওয়েবসাইট এর জন্য লিখছেন, ১ বছর পর নিজের একটা ওয়েবসাইট খুলবেন, ২ বছর পর ওয়েবসাইট ভালো করলে আরও ভালো কিছু করতে পারবেন। সাধারন চাকরিতে এটা মনে হয় কঠিন। (এইগুলা কোন বৈজ্ঞানিক সুত্র না! ভুল হওয়ার সম্ভাবনা নাই। তবে আপনার ভালো না লাগলে পড়বেন না!)

তবে অনলাইনে কিছু করা অনেক বেশি কঠিন। আপনি পড়াশোনা শেষ করে একটা চাকরি পাবেনই এটা তো মনে হয় বলাই যায় তেমনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনলাইনে আয় করতে এসে আপনি সাফল্য পাবেন না (মনের মত) সেটাও বলা যায়। সুতরাং সময় নষ্ট করার আগে নিজেকে বুঝে নিন।

আর উপরের মত মানসিকতা (একটা বহুল ব্যবহৃত কথা হল ইন্টারনেট এ তো কত কিছুই থাকে সব কি ঠিক? …………) থাকলে মনে হয় আপনি ইন্টারনেট এ কিছু করতে পারবেন না………!

ঠিক আছে এখন আমরা সরাসরি লিখে কিভাবে অনলাইন এ টাকা আয় করতে পারবেন তা দেখব।

আমরা প্রথমে যেটা দেখব সেটা হল outsourcing যেহেতু এটি এখনকার সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ব্যাপার।

আপনি বিভিন্ন outsourcing ওয়েবসাইট এ লেখা লেখি করে টাকা আয় করতে পারেন। আরও অনেক উৎস, উপায় আছে পরে আলোচনা করবো।

তাহলে আপনি লেখক হিসাবে outsourcing ওয়েবসাইট এ কাজ করে টাকা আয় করতে যাচ্ছেন? এই ক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে outsourcing ব্যাপার টা বুঝতে হবে (কিভাবে করে , কিসে করে, কোনটা ভালো………………)। আপনি বাংলা অথবা ইংরেজিতে অনেক ওয়েবসাইট পাবেন যেখানে এই ব্যাপারে লেখা পাবেন।

যাই হোক outsourcing কি……… তাহলে এখন আপনি জানেন। এখন outsourcing ওয়েবসাইট গুলোতে লেখালেখির জন্য যে ধরনের কাজ থাকেঃ



১। টেকনিক্যাল রাইটিংঃ লিখতে গেলে আসলে অনেক কিছুই মনে আসে। যেমন ধরুন আমাদের কথা বার্তা শুনে আপনার influenced হওয়ার কথা। সেটা হয়ে আপনি অনলাইন এ লেখালেখি করে টাকা আয় করতে চাইলেন কিন্তু আপনি Written English এ ভালো না। তাহলে তো আর লাভ নেই। আগের পর্বে বলেছিলাম বাংলাতে তেমন একটা লেখার কাজ নাই। কাজেই ইংরেজিতে ভালো আপনাকে লিখতেই হবে যেকোনো ধরনের অনলাইন এ লেখার কাজের জন্য।

অনেকের ভুল ধারনা থাকে। সামান্য একটু ভালো লিখলেও ভাবে অনেক ভালো তাহলেও মনে হয় হবেনা।

ধরুন outsourcing বাদ, টেকনিক্যাল রাইটিং বাদ। আপনি নিজের ওয়েবসাইট এর জন্যই ইংরেজিতে লিখবেন। তাহলেও হবেনা ভালো ইংরেজিতে না লিখলে মানুষ আপনার লেখা পড়বেনা।

প্রস্তুতির চেয়েও প্রস্তুতির প্রস্তুতি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এই কারনে এত কথা বললাম। পরের টিউটোরিয়াল এ outsourcing ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে লিখে টাকা আয় করবেন, বিভিন্ন ধরনের লেখা ইত্যাদি নিয়ে লিখব। ভালো থাকবেন।

আমার অন্যান্য লেখা এখানে পাবেন।

মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০১৩

আমার ব্যক্তি গত ছবি




আমার মা

মোস্তফা দেওয়ান



 অমার ছোট ভাই



আমার ব্যক্তি গত ছবি

















আমার ব্যক্তি গত ছবি















দরগাতলী টিউবওয়েল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দান করলেন

আমাদের হাটকালু পাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর গর্ব আমাদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মাহাবুবুল হক দুলু চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে এই এলাকায় প্রচুর উন্নয়ন মূলক কাজ করছে ।তেমনি আমাদের দরগাতলী মোড়ে একটি দামী টিউবওয়েল আজ স্থাপন করে দিলেন।
সন্ন্যাস বাড়ী , আত্রাই , নওগাঁ , বাংলাদেশ।

শনিবার, ৮ জুন, ২০১৩

একটি বাড়ী একটি খামার সন্ন্যাস বাড়ী সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন দল



একটি বাড়ী একটি খামার সন্ন্যাস বাড়ী সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন দল গঠনে মূল ভুমিকা পালন করে মো: সাইফুল ইসলাম এর সঙ্গে কয়েকজন লোক জড়িত আছে অবশ্য এখন তার বোকামির জন্য নিজেই ফাসিঁয়ে যাচ্ছে যাক সেই কথায় পরে আসিমোঃ সাইফুল আমার বাবার ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে যায় একটি বাড়ী একটি খামার এর সদস্য করবে বলে তাতে লাভ একজন সদ্স্য একলক্ষ দেড়লক্ষ টাকা পাবে খামার করার জন্যশুধু আমার বাবা নয় এরকম আরও লোকজন থেকে সাইফুল আর একজন লোক বিভিন্ন প্রলোভবন দেখিয়ে টাকা ভোটার আইডি নিয়ে যায়কিন্তু আমার বাবা চাচা টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাদের আর নাম রাখেনাআমি মনে করলাম বিষয়টি কি এবং কোথায় থেকে পরিচালিত হচ্ছেখোঁজ নিয়ে দেখি যে বিষয়টি আমাদের উপজেলা বি আর ডি বি অফিস ভারপ্রাপ্ত এক চাকরীজিবী পরিচালনা করছে সেখানে আমি প্রায় ধর্না দিতে লাগলাম আমার নাম বসানোর জন্যআমি অনুরোধ করে সেই চাকরীজিবীর নিকট একটি বাড়ী একটি খামারে নাম বসাতে সক্ষম হয়কিন্তু সেখানে আমাকে কিছু জালখরি পুড়াতে হয়এর মধ্যে কিছুদিন আমি আর বি আর ডি বি অফিসে যায়ন্ মোবাইলে যোগাযোগ করছি একদিন সেই চাকরিজীবি বলে তোমার নামে কিছু টাকা দেওয়া হয়েছে তুমি যোগাযোগ করে টাকাটা নিয়ে নাওআমি সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাথে দেখা করলামতখন তারা বলল বেশি না ৫০০ শত টাকা আসছে তোমার নামে তা ওটা খরচ হয়ে গেছেপরে কোন বড় অনুদান আসলে আমি তোমার নাম দিবোআমি এদের আচারণে বুঝলাম এটা মরুচিকামনে কষ্ট নিয়ে চুপ করে থাকলামএর মধ্যে আর এক কান্ড আমাদের গ্রামের অন্যলোক গুলো আমার মত বসে নেইতারা ঘটনার আচ বুঝতে পেরে সঠিক হিসাব চাইতে গেলে তাদের ধরে মারধর করেঅবশ্য বিচার করে তার জরিমানা আদায় করেআসল কথায় আসা যাক….. ইউনিয়ন পরিষদ নির্বূাচনে আমাদের গ্রামের সম্ম্যানিত সত ব্যক্তী চেয়ারম্যান হিসাবে জয়রাভ করেতার বিজয়ীর পর থেকে গুরত্ববহ ঘটনা বের হতে থাকেঘটনা এরকম ঃআমার ৫০০ টাকা নয় প্রায় শোয়া লক্ষ টাকা তারা হাতিয়ে নিয়েছে সাইফুলযাহোক তার গ্রাম্য বিচার সালিশ করে ধামাচাপার ব্যবস্থা করেকিন্তু সরকার থেকে চাপ আসে যে সমিতির একটা সঠিক তালিকা দেওয়া হোককিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব নয়কারণ বুঝতেই পারছেন ফেরেস্তারা ভাগ করেছে কিন্তু ভাগ কাউকে দেইনি পরে আবার উপজেলা থেকে লোকজন আসে., বলে, অতীতে যা হবার হয়েছে তার বিচার হবনতুন করে আপনারা আবার সমিতি গঠন করুনসেখানে আমাকে বি আর ডি বি অফিসে আসার জন্য বলল অফিসের লোকজন সেই মতে আমি চেয়ারম্যানের সহায়তায় অফিসে গিয়ে কাগজপত্র নিয়ে আসিতারপর যাদের নাম ব্যাবহার করেছে অথচ কোন অনুদান দেই পাইনি তাদের কাছে গেলাম কিন্তু কেউ রাজি হলনা কারণ গোয়াল পুরা গরু শিদুরে মেঘ দেখে ভয় পাইগ্রামের অন্যমানুষের নিকট গেলাম তারাও রাজি হলনাতারপর চেয়ারম্যান এর সাহায্য নিয়ে সমস্ত গ্রাম ঢুলপিটিয়ে মিটিং করলামতাতেও কোনফল হলোনাসমিতির ৬০ জন সদ্যস পুরন করতে পারছিনাঅনুরোধ করে কয়েকজন লোক সঙে্গ নিয়ে উপজেলা সম্নয়কারীর কাছে বিষয় গুলো জানালামতখন তিনি পরামর্শ দিল আপনারা আপনাদের নিজের লোকের নাম বসানবাধ্য হয়ে নিজের টাকা অন্যকে ধার দিয়ে সমিতিতে নাম বসানোর পরও যখন ৬০ জন সদস্য করতে পারললম না তখন উপজেলা সম্মনয় কারী বললেন আপনারা একজন দুই তিনটা করে নাম বসাতে পারবেন তখন আমরা কয়েকজন দু তিনটি করে নাম বসালামএখন সমিতি প্রতিষ্ঠীত দ্বিতুীয়বার অনুদান দেওয়া হচ্ছে কিন্তু সদ্যসগুলোর কি হবে যারা একাই তিন নাম ব্যবহার করেছেনএমন কি তাদের সই স্বাক্ষর কিছু নাইডান হাত বাম হাত দিয়ে সই করে ফরমপুরন করে তাদের নামে

10000-15000 টাকা নেওয়া আছেবিষয়টি অবশ্যই কতৃপক্ষ নজরে নিবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন